
সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় লুট হওয়া বিভিন্ন মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৯ আগস্ট দিবাগত রাত দুইটার দিকে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নির্মাণাধীন কারখানায় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল ডাকাতি করে। এ সময় কারখানায় নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মীদের তিনটি মুঠোফোন, ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ জোরারগঞ্জ থানায় মামলা করে।
গ্রেফতার আসামিরা হলেন : হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী এলাকার মৃত নুরুল আফছারের ছেলে মেহেদী হাসান (৩২), একই ইউনিয়নের মেহেদীনগর এলাকার মো. সিরাজ মিয়ার ছেলে সুজাউল হক ওরফে সুজা উল্লাহ (২৪), মৃত ওবাইদুল হকের ছেলে এমদাদুল হক ওরফে এমরান (২৮), পূর্ব হিঙ্গুলীর হারুন অর রশিদের ছেলে মো. সাখাওয়াত হোসেন ওরফে নাহিদ (২৪), মেহেদীনগর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মো. ইউসুফ (২৬), জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের খিলমুরারী এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে মো. রাকিব (২১) এবং করেরহাট ইউনিয়নের আব্দুল মন্নানের ছেলে মিজান উদ্দিন (৩২)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ডাকাতির পর পুলিশ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় অভিযান শুরু করে। প্রায় ৩২ ঘণ্টার অভিযানে সাতজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, ‘অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকার একটি নির্মাণাধীন কারখানায় ডাকাতির ঘটনায় ৩২ ঘণ্টার অভিযানে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে মো. ইউসুফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছেন। বাকি ছয়জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার এমদাদুল হক ওরফে এমরানের বিরুদ্ধে তিনটি এবং মো. রাকিবের বিরুদ্ধে একটি জিআর গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
