
নিহতের নাম ছেনু আরা বেগম (৫০)। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন। অভিযুক্তের নাম জানে আলম (৪৭)। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি ছেনু আরা বেগমের ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে জানে আলম বোনের বাসায় যান। সে সময় বাসায় অন্য কেউ ছিলেন না। বোনজামাই ও ভাগিনা তারাবি নামাজ আদায় করতে মসজিদে গেলে ঘরে একা ছিলেন ছেনু আরা।
এ সময় ঘরে ঢুকে চুরির চেষ্টা করেন জানে আলম—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
একপর্যায়ে ছেনু আরা তাকে চিনে ফেললে দুইজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত বোরকা পরে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। তবে তার আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে তার হাতে ও পোশাকে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে দাবি করেন উপস্থিত লোকজন। এরপর তাকে আটক রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অভিযুক্ত জানে আলমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে কি কারণে হত্যাকাণ্ড তা এখনও জানা যায়নি। বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

