mirsaraibarta
ঢাকাসোমবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. আবহাওয়া
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম প্রতিদিন
  9. জাতীয়
  10. জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  11. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  12. দেশ ও জনপদ
  13. বিনোদন
  14. ব্যবসা
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিদেশি বিনিয়োগের নামে প্রতারণা ; গ্রেফতার ৩

অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ ১:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার ; টেলিগ্রামে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া বিনিয়োগ গ্রুপ পরিচালনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল একটি চক্র।
অবশেষে সেই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর তিনজনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) নারায়নগঞ্জের বন্দরের ডক শিপইয়ার্ড ও মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিআইডির মিডিয়া বিভাগ।

চলতি বছরের গত ১১ জানুয়ারি ও গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় দুটি মামলা হয়। সেই মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন : ইমরান (৩২), ফাহিম (২৪) ও আসাদুজ্জামান রাব্বি (২৫)। তাদের মধ্যে ফাহিম এই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি। তার ব্যাংক একাউন্টে মামলার বাদী দুই দফায় ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৬ টাকা পাঠায় বলে সিআইডি জানতে পেরেছে।

সিআইডি দাবি করেছে, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে টেলিগ্রাম অ্যাপে ‘বিদেশি বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম’ ও অন্যান্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় নামে ভুয়া গ্রুপ খুলে অল্প সময়ে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে প্ররোচিত করে আসছিল।

ভুক্তভেগীরা সেই গ্রুপে যুক্ত হলে সেখানে আগে থেকেই যুক্ত কিছু সদস্য বিনিয়োগ করে কীভাবে স্বল্প সময়ে অধিক লাভ করেছে, এমন ভুয়া ও সাজানো পোস্ট দেন। প্রকৃতপক্ষে এসব সদস্যই ছিল চক্রের সক্রিয় সহযোগী এবং পোস্টগুলো ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।

এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ প্রলুব্ধ হয়ে গ্রুপের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) একাউন্টে অর্থ পাঠাতো।

এসব একাউন্ট অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তৃতীয় ব্যক্তির নামে খোলা ছিল। যাদের অনেকেই প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।

পরবর্তীতে প্রতারকরা এসব একাউন্ট ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন ও আত্মসাৎ করতেন। বহু বিনিয়োগকারী এভাবে সর্বস্ব হারিয়েছে।

সিআইডি তদন্তে আরও জানতে পেরেছে, প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ নগদে রূপান্তরের জন্য চক্রটি অভিনব কৌশল ব্যবহার করতেন।

মূলহোতা ফারদিন আহমেদ বিভিন্ন গাড়ির শোরুম থেকে ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে গাড়ি ক্রয় করে স্বল্প সময়ের মধ্যে কম দামে বিক্রি করে কাগজে লোকসান দেখিয়ে নগদ অর্থ উত্তোলন করত। এই পদ্ধতিতেই অবৈধ অর্থ ‘ক্যাশ আউট’ করা হতো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডিকে গ্রেফতারকৃত জানায়, অপরাধকর্মে ব্যবহৃত ফাহিমের ব্যাংক একাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করছিল গ্রেফতারকৃত ইমরান। এ জন্য ইমরান তাকে মাসিক কিস্তিতে কমিশন দিতেন।

গ্রেফতারকৃত উভয় অভিযুক্তই অবৈধ টেলিগ্রাম গ্রুপের সঙ্গে সক্রিয় ভাবে জড়িত এবং পরস্পর যোগসাজসে এজাহারভুক্ত গ্রেফতারকৃত ফাহিমের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ৪৮ লাখ টাকা লেনদেন করেছে।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ইমরানের মোবাইল ফোনে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিষিদ্ধ বাইন্যান্স একাউন্টসহ ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য পেয়েছে সিআইডি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।