
শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলম কোম্পানির বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক আসামিরা হলেন : চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের আরিফুল হক ওরফে বাদশাহ (১৯), সাতকানিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ হাসান (১৮), শিকারপুর ইউনিয়নের ফয়সাল ইসলাম ওরফে জাহেদ (১৭) এবং খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ওয়াহিদুজ্জামান রাকিব (১৬)।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার বাসিন্দারা নিয়মিত সভা করে আসছেন।
শুক্রবার রাতেও এমন একটি সভা চলাকালে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন অস্ত্র নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে।
তারা আরও জানান, অটোরিকশাটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেটি থামানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় চালক দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে অটোরিকশাটি আটকানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হলেও একজন পালিয়ে যান। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকেও আটক করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আটক কিশোররা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টসকর্মীসহ পথচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা, মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল।
এসব ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী মাদক ও ছিনতাইবিরোধী সামাজিক উদ্যোগ জোরদার করেন।
খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক চার কিশোরসহ উদ্ধার হওয়া অস্ত্র নিজেদের হেফাজতে নেয়।
হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক আজিজ বলেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যে ধারণা করা হচ্ছে, আটকরা এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা তাদের আটক করে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
